শাকিবের সঙ্গে রোমাঞ্চের খবরে মজা পেয়েছি...
শাকিব খান-নিপুণ সম্পর্কের খবর ডালপালা মেলেছে। এ খবরে নিপুণও নাকি কম মজা পাননি। তার দেওয়া সাক্ষাৎকারে সে কথাই বলেছেন তিনি-
শাকিব খানের টানে ব্যাংকক গিয়েছিলেন, সত্যি তাই?
খাবার যত রসালো হয় ততই স্বাদ বাড়ে, তেমনি খবরও একটু মসলাদার হলে তাতে মজা বাড়ে। অনেকেই এমন মজা নেওয়ার জন্য এ ধরনের মজাদার সংবাদ প্রকাশ করে আনন্দ পায়। এতে কিছু মনে করি না, কারণ যার তারকাখ্যাতি আছে তাকে ঘিরেই তো এমন সংবাদের জন্ম হয়, ডালপালা গজায়। আসলে ব্যাংকক গিয়েছিলাম একটি বিজ্ঞাপনের কাজে, ঠিক তখন শাকিব-সাহারা সেখানে ছিলেন একটি চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে। ব্যস এতেই শাকিব-নিপুণের রোমাঞ্চের খবর চাউর হলো। আমিও কিন্তু কম মজা পাইনি। মজার কথা হলো, ব্যাংককে আমাদের একে অন্যের সঙ্গে দেখাও হয়নি।
চলচ্চিত্রে অভিনয় নিয়ে এখন কেমন ব্যস্ততা?
রকিবুল আলম রকিবের 'জান তুমি প্রাণ তুমি', সোহেল আরমানের 'এইতো প্রেম'। তা ছাড়া, ১১ অক্টোবর থেকে শুরু করব এম এ আওয়ালের 'অজানা শত্রু'র কাজ।
এইতো প্রেম চলচ্চিত্রে কি রোল প্লে করছেন?
এতে একটি আইটেম গানে অংশ নিচ্ছি।
প্রতিবারের মতো এবারের ঈদেও ছোট পর্দায় আসছেন?
মনে হয় না। কারণ চলচ্চিত্রের কাজ নিয়েই বর্তমানে ব্যস্ততা বেশি। হাতে সময়ও নেই। তবে প্রচুর প্রস্তাব আছে। সময় করতে পারলে দু'একটি টেলিফিল্মে কাজ করার চেষ্টা করব।
চলচ্চিত্রে প্রিয় চরিত্র কোনটি?
সব ধরনের চরিত্রকেই সমান গুরুত্ব দেই। অভিনয় জীবনের পাঁচ বছরে এমন কোনো চরিত্র নেই, যা করিনি। রোমান্টিক, অ্যাকশন থেকে শুরু করে সাহিত্যনির্ভর চলচ্চিত্র পর্যন্ত করেছি। যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সমাপ্তি'। মনে হয় না প্রিয়-চরিত্র বলতে আর কিছু বাকি আছে।
জুটি প্রথায় বিশ্বাসী?
জুটিপ্রথা ভালো। তবে দর্শক যদি স্থায়ীভাবে তা গ্রহণ করে। জনপ্রিয়তার জন্য জুটি প্রথা অপরিহার্য?
মোটেও নয়, অন্তত আমি মনে করি না। এটি যদি জনপ্রিয়তার জন্য অপরিহার্য হতো তাহলে জুটিহীনরা জনপ্রিয়তা পেত না। তবে হ্যাঁ, জুটি গড়ে উঠলে তাতে শিল্পী ও দর্শকের মধ্যে একটি বিশেষ ভালোলাগার জন্ম নেয়। এ ভালো লাগা অমর হয়ে থাকে। যেমন : রাজ্জাক-ববিতা কিংবা উত্তম-সুচিত্রা জুটি।
আপনি তো যুক্তরাষ্ট্রেরও নাগরিক, আবার সেখানে ফিরে যাবেন?
প্রশ্নই ওঠে না, আর ফিরে যাব না বলেই তো একেবারে গাঁটছড়া বেঁধে চলচ্চিত্র দুনিয়ায় চলে এসেছি। বাকি জীবন চলচ্চিত্রে অভিনয় নিয়েই বেঁচে থাকার চেষ্টা করব। হ্যাঁ, প্রতি বছরই কিন্তু দু'একবার যুক্তরাষ্ট্রে বেড়িয়ে আসি। ব্যস ওটুকুই।
চলচ্চিত্রে না এলে কী হতেন?
আমি তো কম্পিউটার সায়েন্সের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে জব করছিলাম, চলচ্চিত্রে না এলে হয়তো ওই জবটিই চালিয়ে যেতাম।
অভিনয়ের পাশাপাশি অন্য কিছু করার ইচ্ছা আছে?
হ্যাঁ, একটি রেস্টুরেন্ট করার ইচ্ছা আছে। সময়-সুযোগ পেলে বড় মাপের একটি রেস্টুরেন্ট খুলব।
রেস্টুরেন্ট কেন?
বেসিক্যালি রান্না করতে খুব পছন্দ করি। এটি শখ বলতে পারেন। তাই রেস্টুরেন্ট করার ইচ্ছা দীর্ঘদিনের। মনে হয় খাবার-দাবার নিয়ে অচিরেই আমার ইচ্ছাটি প্রজাপতির মতো ডানা মেলবে।
সমাজসেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত হবেন?
অবশ্যই হব। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় বাবা একটি মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। এর পাশাপাশি সেখানে একটি স্কুল ও কলেজ স্থাপন করতে চাই।
দর্শকদের কী বলবেন?
তাদের বলব, এখন আবার ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণ হচ্ছে, আপনারা প্রেক্ষাগৃহে এসে চলচ্চিত্র দেখে এ শিল্প ও শিল্পীদের রক্ষা করুন।


0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন