skip to main |
skip to sidebar
ধর্ষিতা কে আশ্রয় দেওয়ার নামে ফের ধর্ষণ করা হয়েছে
পঞ্চগড়ে আশ্রয় দেওয়ার নামে ফের ধর্ষণ করা হয়েছে এক মাদ্র্রাসাছাত্রীকে। অপরদিকে পুলিশের চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় ধর্ষিতার বয়স নির্ধারণী পরীক্ষা করাতে পারেননি তার পিতা। ধর্ষণের শিকার এক মাদ্র্রাসাছাত্রীকে আশ্রয় দেওয়ার নামে ফের ধর্ষণ করা হয়েছে। তাকে গতকাল সকালে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায়। এ ঘটনায় পুলিশ সুমন ও আনারুলকে আটক করে গতকাল জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলার এক মাদ্রাসাছাত্রীর সঙ্গে আটোয়ারী বড়দাপ গ্রামের তসলিমের ছেলে মাজেদ আলীর প্রেম ছিল। প্রেমিক মাজেদ তাকে বিয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে আটোয়ারীতে নিয়ে আসে। এরপর মাজেদের অপর দুই বন্ধু ঠাকুরগাঁও জেলার সুজন ও সানোয়ার মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎসংলগ্ন ব্র্রিজের নিচে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি সেখান থেকে এসে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকলে সেখানে দেখা হয় আটোয়ারীর গোবিন্দপুর গ্রামের সুমন ও আনারুলের। তারা তাকে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মজনুর রহমান বলেন, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে পঞ্চগড় সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) : পুলিশের চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারায় ধর্ষিতা স্কুলছাত্রীর বয়স নির্ধারণী পরীক্ষা করাতে পারেননি দিনমজুর পিতা। বুধবার মেয়ের বয়স নির্ধারণী পরীক্ষা করতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ভিকটিম ও তার বাবাকে দিনভর থানায় বসিয়ে রাখা হয়। ধর্ষিতার পিতা জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বয়স নির্ধারণী পরীক্ষার জন্য মেয়েকে থানায় নিয়ে আসতে বলেন। তিনি বুধবার সকাল ৭টায় মেয়েকে নিয়ে থানায় এলে পুলিশ তাকে মেডিকেল পরীক্ষা করাতে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে নেওয়ার জন্য দশ হাজার টাকা লাগবে বলে দাবি করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আবদুল কাদের বয়স নির্ধারণী পরীক্ষা নেওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কনস্টেবল জাহাঙ্গীর মামলার বাদীর কাছে টাকা চেয়েছিল। রাতে অভিযোগ শুনে ওসি ওই কনস্টেবলকে বকেছেন। ওসি মো. আবদুল্লাহ বলেন, মেয়েটির বাবা আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। আমি তাকে মামলার আইওর সঙ্গে কথা বলতে বলেছি।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন