শুক্রবার, ২ মার্চ, ২০১২

রাজনীতি : ১২ মার্চ ঢাকা চলো মহাসমাবেশ নয়াপল্টনে এক সপ্তাহ আগে থেকেই ঢাকায় লোক জড়ো করবে বিএনপি


রাজনীতি : ১২ মার্চ ঢাকা চলো মহাসমাবেশ নয়াপল্টনে
এক সপ্তাহ আগে থেকেই ঢাকায় লোক জড়ো করবে বিএনপি



১২ মার্চ চলো চলো ঢাকা চলো কর্মসূচির এক সপ্তাহ আগে থেকেই রাজধানীতে লোক জড়ো করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। ওইদিন নয়াপল্টনের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে গণবিস্ফোরণ ঘটাতে চায় তারা। মহানগরের কমিউনিটি সেন্টার, হোটেলসহ আত্দীয়স্বজনের বাসাবাড়িতে বাইরে থেকে আসা নেতা-কর্মীদের রাখার প্রস্তুতি চলছে। বিএনপির মহানগর আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা জানিয়েছেন, সেদিন ঢাকায় অন্তত ২০ লাখ লোক জড়ো করার টার্গেট তাদের। ঢাকাসহ আশপাশের এলাকা থেকেই বেশি লোক আনার পরিকল্পনা রয়েছে। দূরাঞ্চল থেকে ব্যানার নিয়ে নেতা-কর্মীদের ঢাকায় আসতে মানা করা হয়েছে। যেখানে বাধা সেখানেই অবস্থান এমন নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ঢাকার প্রবেশমুখে ৮টি স্থানে অভ্যর্থনা কেন্দ্র খোলা হবে। এদিকে খোকা অভিযোগ করেছেন, ঢাকাসহ দেশের মহল্লা-পাড়া-ওয়ার্ডে প্রচার-প্রচারণা, তোরণ নির্মাণ ও মাইকিংয়ের অনুমতি দিচ্ছে না পুলিশ। কর্তৃপক্ষের চাপের মুখে কমিউনিটি সেন্টার ও হোটেলগুলো নেতা-কর্মীদের থাকার জন্য ভাড়া দিতে চাচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থায়ী কমিটিসহ কেন্দ্রের ৪৫টি সমন্বয় কমিটি ছাড়াও ৮টি উপকমিটি মহাসমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। দলের বাইরেও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আগামী ৭ মার্চ দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন তিনি। সেখানে ১২ মার্চ খালেদা জিয়ার বক্তব্যের খসড়া ছাড়াও নতুন কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে ওই বৈঠকে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১২ মার্চ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বিশেষ করে পল্টন, প্রেসক্লাব, সচিবালয়ের আশপাশ, মতিঝিল, দৈনিক বাংলা মোড়, মৎস্যভবন, কাকরাইল মোড়, শাহবাগ মোড়, বাংলা মোটর মোড়, ফার্মগেট এলাকা থাকবে জনতার দখলে। বাধা এলে সেখানেই অবস্থানের অলিখিত ঘোষণা থাকবে। ঢাকার চারপাশের জেলা থেকে আগত নেতা-কর্মীদের জন্য প্রবেশমুখে অভ্যর্থনা জানাতে একটি কমিটি করে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম বলেন, মহাসমাবেশ উপলক্ষে ১০০টি ওয়ার্ডেই প্রস্তুতি সভার কাজ চলছে। অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলো মহানগর বিএনপির নেতারা এর তদারকি করবে।

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ থেকে বেগম জিয়া সরকারের পদত্যাগ দাবি করার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতি বহাল করতে সরকারকে একটি সময়সীমা বেঁধে দেবেন। এ আলটিমেটাম চলাকালে দলকে আন্দোলনমুখী রাখতে 'গুচ্ছ' কর্মসূচিও ঘোষণা করবেন তিনি। এতে অবস্থান ধর্মঘট, অনশন, গণমিছিল ও ঘেরাও কর্মসূচি থাকতে পারে।    

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন