উত্তর প্রদেশসহ ভারতের পাঁচটি রাজ্যের নির্বাচন আসন্ন। উত্তর প্রদেশের নির্বাচন শুরু আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে। গতকাল শনিবার পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশ ছাড়া বাকি রাজ্যগুলো হলো উত্তরখণ্ড, পাঞ্জাব, মণিপুর ও গোয়া।
এবার উত্তর প্রদেশে কংগ্রেস তার হূত গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণায় নামছে। শুধু রাহুল গান্ধীই নন, প্রচারে নামছেন প্রিয়াঙ্কাও। একটি টেলিভিশন চ্যানেল জানিয়েছে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে নামছেন। তবে তিনি প্রচার চালাবেন নির্দিষ্ট কিছু আসনে। কংগ্রেস সেই আসনগুলো নির্ধারণ করে দেবে। কংগ্রেসও মনে করছে, প্রিয়াঙ্কা নির্বাচনী প্রচারে নামলে বাড়তি সুবিধা পাবে কংগ্রেস। রাহুল-সোনিয়ার এই প্রচার উত্তর প্রদেশে মুলায়ম সিং যাদব, মায়াবতী এবং বিজেপির নেতৃত্বের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিতে পারে।
এর মধ্যে অবশ্য প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে একটু একটু করে উত্তাপ বাড়ছে রাজনীতিতে। বিভিন্ন মহল থেকে এ কথাও উঠে এসেছে যে প্রিয়াঙ্কা এবার হয়তো কংগ্রেসের সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন। এ নিয়ে এখন ভারতের পত্রপত্রিকায় লেখালেখিও শুরু হয়েছে। তবে প্রিয়াঙ্কার তরফ থেকে এখন পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রিয়াঙ্কা যদিও এখন ওয়াধেরা পরিবারের পুত্রবধূ। বিয়ে করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবার্ট ওয়াধেরাকে। প্রিয়াঙ্কার এখন স্বামী, এক ছেলে এবং এক মেয়ে নিয়ে সুখের পরিবার। ছেলে রাইহান এবং মেয়ে মিরা ছোট। সেই প্রিয়াঙ্কাকে এবার রাজনীতিতে আনার জন্য কংগ্রেসের মধ্যে আলোচনাও শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, প্রিয়াঙ্কার মধ্যে রয়েছে তাঁর দাদি ইন্দিরা গান্ধীর প্রতিচ্ছবি। ইন্দিরার ছায়া এখনো তাঁকে ঘিরে রেখেছে। তাঁর কথা বলা, বাচনভঙ্গি, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা সবকিছুর মধ্যে আছে ইন্দিরার ছোঁয়া। তাই তো কংগ্রেসের অনেকেই এখন চাইছেন প্রিয়াঙ্কা ফিরে আসুক রাজনীতিতে। এতে করে কংগ্রেস আরও শক্তিশালী হবে। তাঁদের যুক্তি এখনো প্রিয়াঙ্কার দেশজুড়ে রয়েছে উজ্জ্বল ভাবমূর্তি।
২০০৯ সালের ভারতের সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে কংগ্রেসের সাফল্যকে এবার কংগ্রেস ২০১২ সালের উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনেও কাজে লাগাতে চাইছে। ২০০৯ সালের নির্বাচনে সোনিয়া তনয় এবং কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রাহুল গান্ধী নির্বাচনী প্রচারে আটঘাট বেঁধে নেমেছিলেন। শুধু রাহুল গান্ধীই নন, নির্বাচনী প্রচারে নেমেছিলেন রাহুলের বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর রায়বেরিলি ও আমেথি কেন্দ্রের প্রচারেও নেমেছিল প্রিয়াঙ্কা। এতে কংগ্রেসের ফল ভালো হয়েছিল। উত্তর প্রদেশের লোকসভার ৮০টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস ছিনিয়ে নিয়েছিল ২১টি আসন। এবারও সেই একই কৌশলকে কাজে লাগাতে চায় কংগ্রেস।
এবার উত্তর প্রদেশে কংগ্রেস তার হূত গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণায় নামছে। শুধু রাহুল গান্ধীই নন, প্রচারে নামছেন প্রিয়াঙ্কাও। একটি টেলিভিশন চ্যানেল জানিয়েছে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে নামছেন। তবে তিনি প্রচার চালাবেন নির্দিষ্ট কিছু আসনে। কংগ্রেস সেই আসনগুলো নির্ধারণ করে দেবে। কংগ্রেসও মনে করছে, প্রিয়াঙ্কা নির্বাচনী প্রচারে নামলে বাড়তি সুবিধা পাবে কংগ্রেস। রাহুল-সোনিয়ার এই প্রচার উত্তর প্রদেশে মুলায়ম সিং যাদব, মায়াবতী এবং বিজেপির নেতৃত্বের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিতে পারে।
এর মধ্যে অবশ্য প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে একটু একটু করে উত্তাপ বাড়ছে রাজনীতিতে। বিভিন্ন মহল থেকে এ কথাও উঠে এসেছে যে প্রিয়াঙ্কা এবার হয়তো কংগ্রেসের সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন। এ নিয়ে এখন ভারতের পত্রপত্রিকায় লেখালেখিও শুরু হয়েছে। তবে প্রিয়াঙ্কার তরফ থেকে এখন পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রিয়াঙ্কা যদিও এখন ওয়াধেরা পরিবারের পুত্রবধূ। বিয়ে করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবার্ট ওয়াধেরাকে। প্রিয়াঙ্কার এখন স্বামী, এক ছেলে এবং এক মেয়ে নিয়ে সুখের পরিবার। ছেলে রাইহান এবং মেয়ে মিরা ছোট। সেই প্রিয়াঙ্কাকে এবার রাজনীতিতে আনার জন্য কংগ্রেসের মধ্যে আলোচনাও শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, প্রিয়াঙ্কার মধ্যে রয়েছে তাঁর দাদি ইন্দিরা গান্ধীর প্রতিচ্ছবি। ইন্দিরার ছায়া এখনো তাঁকে ঘিরে রেখেছে। তাঁর কথা বলা, বাচনভঙ্গি, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা সবকিছুর মধ্যে আছে ইন্দিরার ছোঁয়া। তাই তো কংগ্রেসের অনেকেই এখন চাইছেন প্রিয়াঙ্কা ফিরে আসুক রাজনীতিতে। এতে করে কংগ্রেস আরও শক্তিশালী হবে। তাঁদের যুক্তি এখনো প্রিয়াঙ্কার দেশজুড়ে রয়েছে উজ্জ্বল ভাবমূর্তি।
২০০৯ সালের ভারতের সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে কংগ্রেসের সাফল্যকে এবার কংগ্রেস ২০১২ সালের উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনেও কাজে লাগাতে চাইছে। ২০০৯ সালের নির্বাচনে সোনিয়া তনয় এবং কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রাহুল গান্ধী নির্বাচনী প্রচারে আটঘাট বেঁধে নেমেছিলেন। শুধু রাহুল গান্ধীই নন, নির্বাচনী প্রচারে নেমেছিলেন রাহুলের বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর রায়বেরিলি ও আমেথি কেন্দ্রের প্রচারেও নেমেছিল প্রিয়াঙ্কা। এতে কংগ্রেসের ফল ভালো হয়েছিল। উত্তর প্রদেশের লোকসভার ৮০টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস ছিনিয়ে নিয়েছিল ২১টি আসন। এবারও সেই একই কৌশলকে কাজে লাগাতে চায় কংগ্রেস।

0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন